কারখানাগুলোতে আগুন লাগলে সবার আগে গেটগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় কেন? - lokkotha.com- দৈনিক লোককথা
ঢাকাশুক্রবার , ৯ জুলাই ২০২১
  1. আন্তর্জাতিক
  2. ইসলাম
  3. কবিতা
  4. করোনা আপডেট
  5. খবর
  6. চাকরি
  7. পড়ালেখা
  8. প্রবাসের খবর
  9. বিনোদন
  10. মতামত
  11. রাজনীতি
  12. লাইফ স্টাইল
  13. শিক্ষা
  14. সম্পাদকীয় কলাম

কারখানাগুলোতে আগুন লাগলে সবার আগে গেটগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় কেন?

প্রতিবেদক
Lokkotha(লোককথা)
জুলাই ৯, ২০২১ ৪:০৭ অপরাহ্ণ

Spread the love

কারখানায় ফায়ার এক্সিট ও ইমারজেন্সী সিঁড়ি থাকার কথা। অথচ আগুন লাগলে ছাদের সিঁড়ির দরজা পর্যন্ত তালা মেরে রাখা হয় কেন? অগ্নিকাণ্ডে কারখানার মালামালের নিরাপত্তা নিয়ে যতটা উদ্বেগ। তার বিন্দুমাত্রও শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে নেই কেন?

 

অগ্নিদগ্ধ কারখানাটিতে ফায়ার এক্সিট ও অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। তাহলে এগুলো তদারকির দায়িত্ব ছিল কার? কারখানাটি নকশা বহিভূর্ত ছিল। এটা দেখার দায়িত্ব ছিল কার? ফায়ার সার্ভিস বলেছে, প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকায় ভয়াবহ হয়ে ওঠে আগুন। এগুলো তদারকির দায়িত্ব ছিল কার? কারখানাটিতে গণহারে শিশু শ্রমিক কর্মরত ছিল। অথচ এতদিন ধরে এটা কারো চোখে পড়লো না কেন?

 

তালাবদ্ধ আগুনে ৫২ শ্রমিকের মৃত্যুতে কারখানার মালিক বললেন, “এর দায় কি আমার?” কারন মালিকরা ঠিকই জানেন, যথারীতি তদন্ত কমিটি গঠিত হবে। যথারীতি তদন্ত প্রতিবেদন হবে। লাশপ্রতি শ্রমিকের পরিবারকে ‘জীবনের মূল্য নির্ধারণী’ যৎসামান্য অনুদান দেয়া হবে। নিহতের পরিবারের একজনকে হয়ত চাকরীও দেওয়া হবে। আর এভাবেই যথারীতি কারখানাগুলো তালাবদ্ধ থাকবে। মালামালের নিরাপত্তার স্বার্থে। ছাদে উঠার পথও তালা মেরে রাখা হবে। যথারীতিই।

 

অথচ মালিক, কর্তৃপক্ষ, সরকারী অধিদপ্তর, তদারকি সংস্থা, প্রশাসন বা সরকার- কারোই যেন কোন দায় দায়িত্ব নাই! যেমনটা আজ কারখানার মালিক বললেন, “এর দায় কি আমার?”

 

আগুনে পোঁড়া, ভবনে ধ্বসা, পানিতে ডুবা, রাজপথে পিষে মরা প্রতিটা অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ডের দায় কি শুধুই নিহতের?

ড. তুহিন মালিক

সর্বশেষ - খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

ফিলিস্তিনিদের পক্ষে কেন পাকিস্তানিরা রাস্তায় নামছে?

শিক্ষক কর্মচারীদের বদলি বিষয়ক চার সপ্তাহের রুল জারি ও শোকজের কপি বের হয়েছে

আফগানিস্তানে ভয়াবহ যুদ্ধ; লস্কর গাহে তালেবানরা শক্ত অবস্থান নেয়

জ্যাকব জুমা গ্রেপ্তার: জুমার গ্রেপ্তার নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা উত্তাল, ৭২ জন নিহত

তীব্র লকডাউন আর কতদিন চলবে?

রাষ্ট্রপতির মোটরকেডের রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং ট্র্যাফিক জ্যামে হাসপাতালে থাকা একজন মহিলা মারা যান

ফারুক মুসলিমকে হত্যা,৪ দিনের মধ্যে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

ধর্মীয় বক্তা ফিরে এলেন এবং বন্ধু সিয়াম তার চাকরিটি হারিয়ে ফেলল

বোয়ালমারী আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত এক

জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর ইনক্রিমেন্ট তালিকা।